কোম্পানীগঞ্জে নারীকে ধর্ষণ মামলায় যুবদল নেতা গ্রেফতার

দৈনিক নোয়াখালীবার্তা | ২৩ অক্টোবর, ২০২০ | ১৪:১১ অপরাহ্ণ |আপডেট: ২৩ অক্টোবর, ২০২০ | ১৪:১১

স্টাফ রিপোর্টার: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ডিভোর্সি এক নারীকে (২১) বিয়ের প্রলোভন ও বাবার সম্পত্তি উদ্ধার করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় চরফকিরা ইউনিয়ন যুবদল নেতা রুহুল আমিন হেলাল (৩২) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার বিকালে আসামি হেলালকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হেলাল চরফকিরা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দীল মোহাম্মদ হাফেজ বাড়ি ওরফে মুনছুর আলী মাঝি বাড়ির মৃত আবু বক্কর ছিদ্দিক মাষ্টারের ছেলে এবং চরফকিরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
মামলার এজহারে ওই নারী জানান, তিনি ডিভোর্স হওয়ার পর স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে চলে এলে তার চাচা-চাচিরা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ওই সুযোগে হেলাল তাকে বাবার বাড়ির সম্পত্তি উদ্ধার করে দেয়া এবং বিয়ের করার আশ্বাস দিয়ে কৌশলে বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের খুরশিদ মঞ্জিলের ভাড়া বাসায় নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ওই নারী তাকে বিয়ের কথা বললে সে তালবাহানা শুরু করে।
স্থানীয়রা জানান, ২০০১ সালে তৎকালীন জোট সরকারের আমলে দলীয় পৃষ্টপোষকতায় চরফকিরা ইউনিয়নে দুর্ধর্ষ বিচ্ছু বাহিনী গড়ে উঠে। হেলাল ওই বিচ্ছু বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন সময়ে চরফকিরা ইউনিয়নসহ আশপাশের চরাঞ্চলে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম কায়েম হয়েছিলো। সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন ছিলো তার নিত্য পেশা ও নেশা।
হেলালের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত হতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি ফজলুল করিম ফয়সালের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এতে হেলালের দলীয় সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, নির্যাতিতার মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত যুবক হেলালকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরে নির্যাতিতা নারীর মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

Please follow and like us:

এরকম আরো সংবাদ