কোম্পানীগঞ্জে আ:লীগে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত-১৬, গ্রেপ্তার-৫

দৈনিক নোয়াখালীবার্তা | ৪ জানুয়ারি, ২০২১ | ১৪:১৮ অপরাহ্ণ |আপডেট: ৪ জানুয়ারি, ২০২১ | ১৪:১৮

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বসুরহাট বাজারে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৬জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান রাজ্জাকসহ ৫জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে বসুরহাট হাসপাতাল সড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হচ্ছেন, উপজেলার চরএলাহি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, তার ছেলে রাজিব, ওই ইউনিয়নের আব্দুর রবের ছেলে দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল মমিনের ছেলে এনাম, ওজি উল্যার ছেলে রাসেল, ধনু মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম জীবন, বেলাল হোসেন, আবুল খায়েরের ছেলে আবুল কালাম, আব্দুল মন্নানের ছেলে আব্দুল মালেক ও আব্দুর রহমান’সহ ১৬জন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা চত্বরে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগদিতে সকালে চরএলাহী ইউনিয়ন থেকে ছাত্রলীগের একটি মিছিল বসুরহাট বাজারে আসছিল। মিছিলটি বসুরহাট হাসপাতাল গেইট এলাকায় পৌঁছলে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রাজিবকে উদ্দেশ্যে করে মিছিলে থাকা কয়েকজন উস্কানিমূলক কথা বলে। এতে মিছিলে থাকা নেতাকর্মীরা দু’টি পক্ষ হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ পেটে গেছে। সংঘর্ষকারীরা কালার ভিউ ডিজিটাল স্টুডিও ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সংঘর্ষকারীরা পালিয়ে যায়। ঘটনায় চরএলাহী ইউনিয়ন আ’লীগের বর্তমান কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে উপজেলা আওয়ামীলীগ সূত্রে জানা গেছে।

চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাহাব উদ্দিন মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গণি তার ভাই বাহার ও ভাগিনা মিন্টুর নেতৃত্বে তাদের লোকজন মিছিলে থাকা আমার ছেলে রাজিবের ওপর অর্তকিত হামলা চালায়। এসময় আমরা তাকে বাঁচাতে গেলে আমাদেরও পিটিয়ে জখম করে তারা। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এবিষয়ে কথা বলতে সাহাব উদ্দিন মেম্বারের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি জানান, ঘটনায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গনি বাদী হয়ে রাজ্জাক চেয়ারম্যানসহ ১১জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৪-৫জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছে। ঘটনায় ৫জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Please follow and like us:

এরকম আরো সংবাদ