নোয়াখালীতে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

দৈনিক নোয়াখালীবার্তা | ৯ জানুয়ারি, ২০২১ | ১৫:৩৮ অপরাহ্ণ |আপডেট: ৯ জানুয়ারি, ২০২১ | ১৫:৩৮

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ নোয়াখালীর আদালতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ও চার্জ গঠনের নির্দেশের প্রতিবাদে ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করে সুধারাম থানার পুলিশ বলেছে, মিছিলে ধাওয়া করা হয়েছে, লাঠিচার্জ হয়নি।

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ছাবের আহমেদ ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেছেন, পুলিশের লাঠিচার্জে তাদের ১০ জন আহত হয়েছেন। স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানকে আটক করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘শনিবার সকাল ১০টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে থেকে স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি পৌর বাজারের সামনে পৌঁছলে পুলিশ মিছিলের পেছন দিক থেকে লাঠিচার্জ শুরু করে। তখন ছাত্রদলের হারুন ভূঁইয়া শাহাদাত, যুবদলের সোহাগ, মনিরসহ ১০ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশ বিক্ষোভ মিছিল থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানকে আটক করে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদল নোয়াখালীর প্রতিটি উপজেলার সোমবার বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে বলে এতে জানানো হয়।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
তবে জেলা সাধারণ সম্পাদককে আটকের কথা নিশ্চিত করে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহেদ উদ্দিন বলেছেন, ‘তারা মিছিলের কোনো অনুমতি নেয়নি। তাছাড়া তারা মিছিলের চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করেছে। তবে কোনো ধরনের লাঠিচার্জ করেনি। পুলিশের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ সত্য না।

Please follow and like us:

এরকম আরো সংবাদ