হাতিয়ায় অবৈধভাবে চলছে ১২ হাজার মোটরসাইকেল

নোয়াখালী বার্তা ডেস্ক | ২০ জুলাই, ২০১৯ | ১৩:০৪ অপরাহ্ণ |আপডেট: ২০ জুলাই, ২০১৯ | ১৩:০৪

হাতিয়া প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর হাতিয়ায় অবৈধ, চোরাই ও লাইসেন্সবিহীন হোন্ডার (মোটরসাইকেল) সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। আর এসব অবৈধ, চোরাই ও লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করছে হাতিয়া হোন্ডা সমিতি।

হাতিয়া প্রশাসনের ছত্রছায়ায় এবং সমিতির নিয়ন্ত্রণে চলা ওইসব মোটরসাইকেল চালকদেরও নেই কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইনস্যুরেন্স ও বৈধ কাগজপত্র। হাতিয়া সমিতির নিয়ন্ত্রণে প্রায় ২ হাজারেরও বেশি মোটরসাইকেল রয়েছে। সমিতির নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে আরো প্রায় ১০ হাজার অবৈধ ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল। গত ১২ বছর ধরে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় এসব মোটরসাইকেল চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল আলম মিন্টু বলেন, অবৈধ পথে আসা লাইসেন্স ছাড়া এসব মোটরসাইকেলে মাদক, অস্ত্রবহনসহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বিহীন চালকরা বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে প্রতিনিয়ত র্দুঘটনা মুখোমুখি হচ্ছে। মাঝে মধ্যে অভিযান করে কয়েকটি মোটরসাইকেল আটক করলেও পরে ট্রাফিক পুলিশের তদারকি দেখা মেলে না।

স্থানীয় আতাউর রহমান বুলবুল জানান, ভাড়ায় চলে এসব মোটরসাইকেল। এখানে একটি হাতিয়া হোন্ডা সমিতি আছে। এই সমিতি এসব মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করছে। এ সমিতির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন যুবদল থেকে আওয়ামী লীগে আসা আব্দুর রহিম রতন। তার নেতৃত্বে প্রতিটি মোটরসাইকেল থেকে মাসে ২৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে। ২ হাজার মোটরসাইকেল থেকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বারবার মুঠোফোনে কল করেও হাতিয়া হোন্ডা সমিতির সভাপতি আবদুর রহিম রতনের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, ওই থানায় তিনি সদ্য যোগদান করেছেন। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে শিগগিরই অবৈধ মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান ওসি।

নোয়াখালীর এসপি আলমগীর হোসেন বলেন, অবৈধ মোটরসাইকেল কোনো ক্রমেই চলতে পারে না। অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ মোটরসাইকেল এবং বেআইনিভাবে গড়ে উঠা হোন্ডা সমিতিরি বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please follow and like us:
error0

এরকম আরো সংবাদ