নোয়াখালীতে সনদ জালের অভিযোগে মহিলা প্রভাষক আটক

নোয়াখালী বার্তা ডেস্ক | ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১২:১৭ অপরাহ্ণ |আপডেট: ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ১২:১৭

ষ্টাফ রিপোর্টার : নোয়াখালীর হাতিয়া ডিগ্রী কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক শাহিদা আক্তার রুবিকে ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সার্টিফিকেটের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশায় চাকুরী নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদুক)।

রোববার দুপুরে জেলা শহরের নোয়াখালী সুপার মার্কেট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত শাহিদা আক্তার রুবি হাতিয়া উপজেলার চর কৈলাশ গ্রামের কে.এম ওবায়েদুল্যাহর স্ত্রী।

জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদুক) কার্যালয় সুত্রে জানান যায়, শাহিদা আক্তার রুবি বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের ২০১০ সালের পরীক্ষায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির লেকচারার পদে একটি জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সার্টিফিকেট প্রস্তুত করে হাতিয়া ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক (ইসলামের ইতিহাস) হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে এমপিওভুক্ত হয়ে ইনডেক্স নং ৩০৮৪৪২১ মূলে ২০১২ সালের ০১ নভেম্বর হতে ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বেতন ভাতা বাবদ ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৯৭৫/- টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক টুটুল কুমার নাগ এবং অডিট অফিসার গোলাম মুর্তজা ২০১৫ সালের ০৩ ডিসেম্বর হাতিয়া ডিগ্রী কলেজ নিরীক্ষা করলে সনদের সত্যতা নিশ্চিত না হওয়ায় এটিকে জাল সনদ হিসাবে আখ্যায়িত করেন।

দুদুক নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ প্রভাষক শাহিদা আক্তার রুবিকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শাহিদা আক্তার রুবি প্রভাষক (ইসলামের ইতিহাস) তার ইনডেক্স নং ৩০৮৪৪২১। সে হাতিয়া ডিগ্রী কলেজে দীর্ঘদিন ধরে জাল সনদের মাধ্যমে শিক্ষকতা করে আসছিল। পরে দুদুক অনুসন্ধানের মাধ্যমে তার জাল সনদের সত্যতা নিশ্চিত হয়। সে ওই সনদ গোপন করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জালিয়াতি ও প্রতারণামূলকভাবে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে সরকারী ৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৭৫ টাকা আত্মসাৎ করেছেন যা অনুসন্ধানকালে প্রমাণিত হয়েছে। গ্রেফতারের পরই রুবিকে জেলা জজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Please follow and like us:
error0

এরকম আরো সংবাদ