আবরার হত্যায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে

নোয়াখালী বার্তা ডেস্ক | ১১ অক্টোবর, ২০১৯ | ১৩:৩৪ অপরাহ্ণ |আপডেট: ১১ অক্টোবর, ২০১৯ | ১৩:৩৫

ষ্টাফ রিপোর্টর:
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকান্ডের তদন্ত শেষে যাদের নাম বেরিয়ে আসবে তাদের সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে। সে যে দলেরই হউক। আমরা আশা করি, তদন্তে অভিযুক্তদের সনাক্ত করা সম্ভব হবে। অভিযোগপত্র পাওয়ার পর কোন আদালতে বিচার হবে তা তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালীতে নব নির্মিত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা খানম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব গোলাম সারওয়ার, যুগ্ম সচিব ও ভবন নির্মাণের প্রকল্প সমন্বয়ক বিকাশ সরকার কুমার সাহা, গণপূর্ত বিভাগের চট্টগ্রাম জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোসলে উদ্দিন আহমেদ, সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট উৎপল চৌধুরী, বার লাইব্রেরির সভাপতি এডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক বকশী প্রমূখ।

মন্ত্রী বলেন, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ভবনের উদ্বোধন বিচার বিভাগের জন্য একটি স্মৃতি চিহ্ন হয়ে থাকবে। আগামী ৫০ বছরে এজলাসের অভাবে বিচারের প্রহর গুনতে হবে না। দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গত ১০ বছরে ১ হাজার ২৮ জন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমন কোন জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। উন্নয়ন হচ্ছে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। এই পর্যন্ত ২৬টি জেলায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে বিচার বিভাগের আর অবকাঠামোগত সমস্যা থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, আগে বিচারকদের বিদেশে কোন প্রশিক্ষণের গ্রহনের সুযোগ ছিল না। এ সরকার বিচারকদের বিদেশে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। মামলা জটের বিষয়টি দীর্ঘদিনের। এটি এক দিনে হয় নাই। বিরোধ নিষ্পত্তি মাধ্যমে আসতে আসতে মামলার জট কমবে এবং জনগন ন্যায় বিচার পাবে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান আমলে ন্যায় বিচার পাননি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিচার বিভাগের প্রতি সংবেদনশীল এবং শ্রদ্ধাশীল। বারও বেঞ্চের সম্পর্ক ভালো থাকলে জনগণ ন্যায় বিচার পেতে সহায়ক হবে। সরকার চায় জনগণ যেন দ্রুত বিচার পান। আবরার হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে বলেন, তদন্তের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। দোষীদের আইনের আওয়াত আনা হবে এবং অভিযুক্তরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।

Please follow and like us:
error0

এরকম আরো সংবাদ