লকডাউন মানছে না নোয়াখালীর মানুষ,প্রশাসন তৎপরতা ঢিলেঢালা

দৈনিক নোয়াখালীবার্তা | ৬ জুন, ২০২১ | ১৫:০০ অপরাহ্ণ |আপডেট: ৬ জুন, ২০২১ | ১৫:০০

ষ্টাফ রিপোর্টার : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শুক্রবার বিকেলে নোয়াখালী পৌরসভাসহ সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
শনিবার (৫ জুন) ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া লকডাউন কার্যকরে প্রশাসনের তৎপরতা দেখা গেলেও তা চলছে অনেকটা ঢিলেঢালাভাবেই।
দুপুরে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জেলা শহর মাইজদী থেকে দূরপাল্লার কোনো যানবাহন না ছাড়লেও অভ্যন্তরীণ সড়কে সিএনজি, অটোরিকশা, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলছে।
শর্তসাপেক্ষে দুই জন যাত্রী নিয়ে সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলার কথা থাকলেও বিধিনিষেধ মানছে না কেউই। দেখা গেছে, সিএনজি ও অটোরিকশাগুলোতে ৪-৫ জন করে যাত্রী চলাচল করছে। ভাড়া আদায় করা হচ্ছে তিন থেকে পাঁচগুণ পর্যন্ত। তবে শহরের দোকানপাট ও শপিংমলগুলো বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মানুষের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। মাস্ক ব্যবহার কিংবা স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই ছিল না। অন্যদিকে সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে লকডাউনের চিত্র ছিল স্বাভাবিক। দোকানপাট, গণপরিবহণে মানুষের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক। শহরে লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সামান্ন তৎপরতা দেখা গেছে। বিভিন্ন চেকপোস্টে আইন অমান্য ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় কয়েকটি সিএনজি অটোরিকশা ও যাত্রীকে জরিমানা করতেও দেখা গেছে।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার জানান, ঈদ পরবর্তী সময়ে জেলায় করোনা সংক্রমণ আগের চেয়ে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে নোয়াখালী পৌরসভা ও সদর উপজেলায় আক্রান্তের হার বেশি। তাই জেলা করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির জরুরি বৈঠকের মাধ্যমে পৌরসভা ও সদরের ৬টি ইউনিয়ন এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউন ৫ জুন ভোর ৬টা থেকে ১১ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
তিনি আরও জানান, লকডাউন কার্যকর করতে ৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ৬টি মোবাইল টিম ও স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে ৪টি টিম মাঠে কাজ করছে।
এদিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে হুকুমদখল কর্মকর্তার অফিসে ফোর লেন সংক্রান্ত বিষয়ে অনেক লোকের সমাগম দেখা যায় ।

Please follow and like us:

এরকম আরো সংবাদ