জাপা নেতার ওপর কাদের মির্জার হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

দৈনিক নোয়াখালীবার্তা | ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ | ১৪:২৩ অপরাহ্ণ |আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ | ১৪:২৩

মাহমুদ রকি : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপনের ওপর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ তোলে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকালে জেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে সদর উপজেলার মাইজদীর টাইনহল মোড়ে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিতে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা জাতীয় সহসভাপতি সাবেক প্যানেল মেয়র অহিদ উদ্দিন মুকুল,পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেকুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ প্রমূখ ।
এ সময় বক্তারা, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপনের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায়া আনার দাবি জানান ।
নির্যাতিত স্বপন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট- কোম্পানীগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিল। এ ছাড়াও নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক। তিনি উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের মোখলেছের রহমান পন্ডিত বাড়ির জিয়াউল হক জিয়ার ছেলে ।
বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জাপা নেতা সাইফুল ইসলাম স্বপনকে বসুরহাট বাজারের কালামিয়া ম্যানশনের সামনে থেকে কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার অনুসারীরা তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ স্বপনের ছেলে মইনুল ইসলাম শাওন। শাওন বলেন, রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পৌরসভা ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে আমার বাবাকে আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়। এসময় বাবার সাথে থাকা টাকা, মোটরসাইকেল, মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ।
মইনুল ইসলাম শাওন আরো বলেন, কোম্পানীগঞ্জে রাজনীতিতে মির্জার প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য বাবাকে চাপ দেয় মির্জা। বাবা রাজি না হওয়ায় এই নির্যাতন চালানো হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুল লতিফ মেম্বারকে ডেকে নিয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় তার কাছে বাবাকে হস্তান্তর করেন ।
এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিয়ে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। এখনো বাসায় তার চিকিৎসা চলছে ।

Please follow and like us:

এরকম আরো সংবাদ