নোয়াখালী বার্তা ডেস্ক: পর্তুগালে বৃহত্তর নোয়খালী এসোসিয়েশনের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে নোয়খালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
২১শে ফেব্রুয়ারী ভাষা শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী লিসবনের শহীদ মিনারে বৃহত্তর নোয়াখালী এসোসিয়েশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সর্বজনাব রানা তসলিম উদ্দিন, সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন কবির জাহাঙ্গীর, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি শহীদ উল্ল্যা, মিজানুর রহমান মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সুমন, সহ-সাধারণ সম্পাদক রনি মোহাম্মদ, আমিনুর রহমান ভূইয়াঁ, প্রচার সম্পাদক আল মাসুদ সুমন, সহ প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক লিটন, গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক জহুরুল হক, আপ্যায়ন সম্পাদক আয়ুব আলী খান প্রমুখ।
মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের ফুলের শ্রদ্ধা জানাতে পর্তুগালের লিসবনের স্থায়ী শহীদ মিনারে ঢল নেমেছে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিদের। একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত।
পরে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন পর্তুগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালায়, লিসবন সিটি কার্পোরেশন, সান্তা মারিয়া ও আরিয়ারো জয়ন্তা প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ দূতাবাস পর্তুগাল, বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাগণের পরিবারবর্গসহ পর্তুগাল আওয়ামী লীগ, পর্তুগাল বিএনপি, বৃহত্তর ফরিদপুর এসোসিয়েশন অফ পর্তুগাল, পর্তুগাল আওয়ামী পরিবার, ছাত্রলীগ পর্তুগাল শাখা, সিলেট বিয়ানীবাজার কল্যাণ সমিতি, হবিগঞ্জ এসোসিয়েশন অফ পর্তুগাল, পিবিএফ পর্তুগাল, ইউরোপ প্রবাসী বাংলাদেশি এসোসিয়েশন পর্তুগাল শাখা সহ পর্তুগালের বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও পর্তুগালে বসবাসরত প্রবাসীগণ।
প্রবাসে বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মের শিশুরাও শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একুশ সম্পর্কে ধারনা দেয়া এবং এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে অনেক মা-বাবা তাদের শিশু সন্তানদেরও নিয়ে আসেন শহীদ মিনারে।
এই সময় শহীদ মিনারের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী বলেন, একুশ মানে মাথা নত না করা, একুশ মানে প্রতিবাদ করা। একুশ মানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন হয়েছিলো বলেই আজ আমরা বাংলায় কথা বলতে পারছি। এ জন্য প্রতিটি মুহূর্ত একুশের চেতনা ধারন করা উচিত আমাদের। একুশের চেতনায় উদ্ভাসিত হওয়ার জন্য সকল প্রবাসীর প্রতি আহবান জানান তিনি।
এদিকে একুশের অনুষ্ঠানমালাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে পর্তুগালের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।